ভুলেও যে ৯ টি খাবার-এলার্জি রোগীরা খাবেন না।

এলার্জি যেটা আমাদের খুবই পরিচিত একটা নাম, আর এটা একপ্রকার আমাদের একটা কষ্টময় জীবন দিচ্ছে।এই এলার্জি আমাদের অনেক ভাবে হতে পারে,যখন এটা হয় তখন আমাদের শরিরে ছোট ছোট লাল লাল গুটি ভেসে ওঠে। আর সাথে সাথে শরিরে সব জায়গাই ছড়িয়ে পড়ে।

এলার্জি খুব সাধারন একটা রোগ। সাধারণত প্রতিটি পরিবারে মাঝে এলার্জি দেখা দেয়। সবার একই জিনিসে এলার্জি হয় না। কারো খাবারে এলার্জি কারো ধুলো ময়লাতে এলার্জি। আজ আমরা জানবো যে কোন কোন খাবারে এলার্জি আছে সেই সেই খাবার সম্পর্কে।

কোন কোন খাবারে এলার্জি আছে তা আমরা জানবো। কিন্তু কি কারনে এলার্জি হয় সেই সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। আমাদের সবার এ শরীরে ইমাইন সিস্টেম থাকে।কোন কারনে যদি এই ইমাইন সিস্টেম গোলযোগ করে তখনি আমাদের শরীরে দেখা দেয় এলার্জি। 

আসসালামুআলাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন, আমিও আপনাদের দোয়াতে ভালোই আছি। এই রকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে Obogoto.Com এর সাথেই থাকুন।

দুধ  আমাদের অনেক প্রিয় একটা খাবার,কিন্তু এর মধ্যে এলার্জি থাকে। ২ থেকে ২.৫ বছর বয়েসে বাচ্চাদের মধ্যে এলার্জি উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।

ডিম একটি সুস্বাদু খাবার। ডিম আমাদের অনেক শক্তি দেয়।কিন্তু এই ডিমের মধ্যে ও এলার্জি আছে।ডিমের যে সাদা অংশ আছে তাতে প্রোটিন থাকে।আর এই প্রোটিন যুক্ত অংশে এলার্জি থাকে।যাদের ডিমে এলার্জি আছে তাঁদের ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকা ভাল।হাসের ডিমে এলার্জি  আছে।

 
বাদাম  আমাদের শরীরে প্রোটিন এর অভাব পুরনের অনেক সাহায্য করে।এবং আমদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে অনেক সাহায্য করে।কিন্তু এই বাদামে এলার্জি আছে। দেখা যায় যে বাচ্চাদের মধ্যে বাদামে এলার্জি এর পরিমান বেশি থাকে। তাই বাচ্চাদের বাদাম খাওয়ানো থেকে দূরে রাখা ভাল।

টমেটো  অনেক সুস্বাদু একটা সবজি। এই টমেটো এর সাথে যদি ছোট ছোট মাছ দিয়ে রান্না করা যায় তাহলে খেতে অনেক ভাল লাগে। কিন্তু এই টমেটো তেও অনেকের এলার্জি থাকতে পারে। তাই যদি বুজতে পারেন যে আপনার টমেটোতে এলার্জি আছে তাহলে আপনি এই সবজি থেকে বিরত থাকতে হবে।

ইলিশ  আমাদের জাতীয় মাছ।এই মাছ টা খেতে খুব সুস্বাদু অনেকেই এই মাছ টা খেতে পছন্দ করে। কিন্তু এই মাছে অনেক বেশি পরিমানে এলার্জি থাকে তাই যাদের ইলিশ মাছে এলার্জি আছে তাঁদের কে ইলিশ মাছ খাওয়া থেকে দূরে থাকা ভাল।

মাছের মধ্যে আমার মনে হয় সবার এ প্রিয় মাছ হলো চিংড়ি  মাছ। কিন্তু ইলিশ মাছের মতো এই চিংড়ি মাছে ও অনেক বেশি পরিনামে এলার্জি  আছে।দেখা গেছে যে,যত মানুষের মধ্যে এলার্জি আছে তাঁদের মধ্যে ৬০% লোকের মধ্যে এই চিংড়ি মাছে এলার্জি।

বেগুন  অনেকের প্রিয় একটা সবজি।কিন্তু টমেটো এর মতো এই বেগুনে অনেকের এলার্জি আছে যাদের বেশি পরিমানে এলার্জি  আছে তাঁদের এই সবজি টা খেলে খুব তারাতারি এলার্জি উপস্থিতি বুজা যায়।

সয়া একটি প্রোটিন যুক্ত খাবার,কিন্তু এই খাবারে যে এলার্জি থাকতে পারে।সাধারণত শিশুদের মধ্যে এর প্রভাব দেখা যায়। বয়েস বাড়ার সাথে সাথে এটা কমতে থাকে। সাধারণত ১০ বছর পরে এই সয়া থেকে এলার্জি হওয়া প্রভাব অনেক কমে যায়।
গমের  আটা থেকে যে রুটি হয় তা আমরা প্রতিদিন সকালে বা রাতে খাই যা আমদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য অনেক উপকারি। কিন্ত দেখা যায় যে আমাদের মধ্যে অনেকের এই গমের আটা তে এলার্জি আছে । শিশুদের যদি গমের আটাতে এলার্জি থাকে তাহলে অন্যান্য দানাদার শস্যতে ও এলার্জি  থাকতে পারে। সুতরাং শিশুদের কে গমের আটা থেকে দূরে রাখতে হবে।


পরিশেষে আমরা বলতে পারি যে, অনেক খাবারে মধ্যে এলার্জি  থাকতে পারে। যেগুলা আমাদের অনেকের প্রিয় প্রিয় খাবার। কিন্তু এলার্জি থাকার কারনে আমাদেরকে এই সব খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে।
এলার্জি হওয়ার একটা বড় কারন হল,তার পরিবারে যদি কারোর এলার্জি থেকে থাকে তাহলে ওই খান থেকে এলার্জি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক টা বেশি থাকে।
এখন আমাদের উচিত যে এলার্জি থেকে দূরে থাকা। আমরা যদি উপরে দেওয়া খাবার গুলা থেকে দূরে থাকতে পারি তাহলে আমরা এলার্জি থেকে বাঁচতে পারবো।



Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url