১২ টি অত্যাধুনিক উচ্চ প্রোটিন জাতীয় খাবার - যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি প্রয়োজন ।

প্রোটিন জাতীয় খাবার আমাদের শরীরে শক্তি অর্জন করতে সাহায্য করে। শরীরে প্রয়োজনীয় সব ভিটামিন মেনারেল ও অন্যান্য পুস্টি  উপাদান পেতে ও ওজন কমাতে সাহয্যে করে । মানবদেহ প্রতিটি কোষে প্রোটিন থাকে। আপনার শরীরে কোষ মেরামত করতে প্রোটিন জাতীয় খাবার অনেক সাহয্যে করে। শিশু কিশোর ও গর্ভবতি মহিলাদের জন্য এটা অনেক দরকারি ।


প্রোটিন জাতীয় খাবারের অভাবে শরীরে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে যেমন: চুল পড়া, শরীর প্রদাহ, ফ্যাটি লিডার, ত্বকের সমস্যা থেকে হাড় দুর্বল হওয়া মত ও সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এখন দেখা যাক কোন কোন খাবারে প্রোটিন ওই খাবার সম্পর্কে জানা যাক যেগুলো নিয়মিত খেতে পারলে আমরা প্রোটিনের অভাব থেকে মুক্তি পাব। 

আপনি যদি এই ব্লগটা ভাল করে পরেন। তাহলে বুজতে পারবেন যে কোন কোন খাবারে প্রোটিন আছে । 

প্রোটিন জাতীয় খাবার

আসসালামুআলাইকুম। আশা করি  আপনারা সবাই ভালো আছেন, আমিও আপনাদের দোয়াতে ভালোই আছি। এই রকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে Obogoto.Com এর সাথেই থাকুন।


দুধঃ দুধ হল প্রোটিনে ভরভুর একটা খাবার। দুধ খেলে আমাদের প্রতিদিনের প্রোটিনের ঘাটতি অনেক কমে যায়। তাই আমাদের সবার উচিত যে প্রতিদিন আমাদের ১ গ্লাস করে হলেও দুধ খাওয়া।


মাছঃ মাছে অনেক বেশি পরিমানে প্রোটিন পাওয়া যায়। সাধারণত মিঠা পানির মাছে অনেক বেশি পরিমানে প্রোটিন পাওয়া যায়। দেখা গেছে যে প্রতি ১০০ মাছে ২৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া গেছে। মাছ আমাদের প্রোটিনের পাশাপাশি চোখ,হৃদপিণ্ড ভাল রাখতে সাহায্য করে। তাই আমাদের উচিত হবে যে প্রতিদিন খাবারের তালিকাই মাছ রাখা 


প্রোটিন জাতীয় খাবার - টার্কি মুরগি

টার্কি মুরগি ঃ আমাদের  দেশের পরিচিত একটি মুরগি হলো টার্কি। গবেষণাতে দেখা গেছে যে এই মুরগির এর প্রতি ১০০ গ্রাম মাংসতে ৫ গ্রাম করে প্রোটিন থাকে। তাছাড়া প্রোটিনের পাশাপাশি আমাদের আমিষের অভাব পুরণ করে।


মাংসঃ প্রতিদিন আমরা কতো রকমের না মাংস খেয়ে থাকি যেমন: গরুর মাংস, খাসির মাংস,মুরগির মাংস, হাঁসের মাংস ,ভেড়ার মাংস ,মহিষের মাংস ইত্যাদি। এই সব মাংসতে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন থাকে যে গুলা আমাদের প্রোটিনের ঘাটতি কমাতে সাহায্য করে। তাই আমাদের উচিত হবে যে খাবারে তালিকেই মাংস রাখা


কলিজাঃ কলিজাতে ( গরুর কলিজা ,খাসির কলিজা, মুরগির কলিজা ইত্যাদি) পাওয়া যায় অনেক বেশি পরিমানে প্রোটিন। দেখা গেছে ১০০ গ্রাম কলিজাতে ২০ গ্রাম প্রোটিন থাকে যা আমাদের দেহের জন্য অনেক উপকারি।


চিংড়ি মাছঃ চিংড়ি মাছ আমাদের সবার অনেক প্রিয় একটা খাবার। এই মাছটা খেতে অনেক সুস্বাদু । এই মাছে আছে বেশ অনেক খানি প্রোটিন প্রতি ১০০ গ্রাম চিংড়ি মাছে আছে ২০ গ্রাম প্রোটিন । তাই প্রতিদিন খাবারের তালিকাই  চিংড়ি মাছ রাখতে পারলে মন্দ হয় না। 


মাশরুমঃ মাশরুম একটি সুস্বাদু খাবার, যাতে প্রোটিনের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম,আয়রন,ম্যাগনেসিয়াম,পটাসিয়াম,জিংক রয়েছে। মাশরুম আমাদের দাঁত মজবুত ও হাড়ের গঠন বাড়াতে অনেক সাহায্য করে


ফুলকফিঃ  ফুলকফিতেও প্রোটিন পাওয়া যায়। একটি মাজারি আকারে  ফুলকফিতে ২ গ্রাম প্রোটিন থাকে । তাই আমরা খাবারের তালিকেই হালকা রাখতেই পারি। 


প্রোটিন জাতীয় খাবার - ডাল

ডালঃ ডালের মধ্যে ভাল পরিমানে প্রোটিন থাকে । আমরা যে রান্না করা ডাল খাই তার ১ কাপে ১৮ গ্রাম পরিমানে প্রোটিন থাকে । ডালের মধ্যে প্রোটিনের পাশাপাশি ম্যাগনেসিয়াম ,পটাসিয়াম, কপার ইত্যাদি থাকায় আমাদের দেহের জন্য অনেক উপকার। তাই আমাদের উচিত যে প্রতিদিনের খাবারের তালিকাই ডাল রাখা।


বাদামঃ বাদামে আছে অনেক বেশি পরিমানে প্রোটিন। প্রতিদিন  বাদাম খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে প্রোটিনের পাশাপাশি ত্বক সুন্দর রাখে।


পেয়েরাঃ এর মধ্যে ও প্রোটিন পাওয়া যায় । তাছাড়া প্রোটিনের পাশাপাশি এতে ভিটামিন সি ও অন্যান্য পুষ্টিগুনে ভরভুর। তাই মন্দ হয় না প্রতিদিন একটা করে পেয়েরা খাওয়া।

প্রোটিন জাতীয় খাবার - সয়াবিন

সয়াবিনঃ প্রোটিনের ভরভুর হল সয়াবিন। প্রতি ১০০ গ্রাম সয়াবিনে ৫৮ গ্রাম প্রোটিন থাকে। প্রতিদিন খাবারের তালিকাই সয়াবিন রাখতে পারলে প্রোটিনের ঘাটতি কমানো যাবে।

আশাকরি এই ব্লগের মাধ্যমে আপনারা প্রোটিন জাতীয় খাবার সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।ব্লগটি পড়ে যদি আপনার উপকারে আসে তাহলে আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করে তাঁদের কে প্রোটিন জাতীয় খাবার সম্পর্কে জানার জন্য সাহায্য করুন। ধন্যবাদ।

 

























Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url